সুন্দরবনে রয়্যালবেঙ্গলের ৩৩ তম শিকার
দি নিউজ লায়নঃ রবিবার দুপুরে কাঁকড়া ধরার সময় বাঘের হামলায় নিখোঁজ হয়ে গেল এক মৎস্যজীবী। এদিন রাত পর্যন্ত তার দেহ উদ্ধার হয়নি। নিখোঁজ মৎস্যজীবীর নাম বাদল বৈরাগী। ঘটনাটি ঘটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবা ব্লকের পীরখালি এক নম্বর জঙ্গল এলাকায়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গোসাবা বালির বিজয়নগর কলোনি পাড়া এলাকার বাসিন্দা মৎস্যজীবী বাদল বৈরাগী সহ আর ২ জন মৎস্যজীবী এদিন সকালে নৌকা করে নদীতে কাঁকড়া ধরতে যায়। বিদ্যা নদীতে কাঁকড়া ধরার সময় আচমকা পীরখালি এক নম্বর জঙ্গল এলাকার সুধন্যখালি খালের পাশের জঙ্গল থেকে বাঘ বেরিয়ে এসেছে ঝাঁপিয়ে পড়ে মৎস্যজীবী বাদল বৈরাগী ওপর।
তার সহ কর্মীরা বাদলকে বাঁচানোর চেষ্টা করে।কিন্তু বাঘ এক ঝটকায় তাকে তুলে নিয়ে গভীর জঙ্গলে ঢুকে যায়। গ্রামে ফিরে তারা খবর দেয় বন দফতরকে। বন দফতর খবর পেয়ে বনকর্মীরা জলপথে নিখোঁজ মৎস্যজীবীর খোঁজ শুরু করেছে। তবে রাত পর্যন্ত মৎস্যজীবী বাদল বৈরাগীর কোন খোঁজ পায়নি বনকর্মীরা।এদিকে এই খবর ছড়িয়ে পড়তে নিখোঁজ মৎস্যজীবীর পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়ে।সুন্দরবন ব্যাঘ্র প্রকল্প জানান বাঘের আক্রমণে এক মৎস্যজীবী নিখোঁজ।মৎস্যজীবীদের বৈধ কাগজপত্র ছিল।তবে তারা নিষিদ্ধ এলাকায় কাঁকড়া ধরছিল।
নিখোঁজ মৎস্যজীবী খোঁজে চিরুনি তল্লাশি চালানো হয়েছে।তবে কিভাবে এমন ধরনের ঘটনা ঘটলো সে বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, অক্টোবরে ঝিলার জঙ্গলে পর পর দু'দিন দুই মৎস্যজীবীর মৃত্যু হয় বাঘের হামলায়। শুধু ঝিলার জঙ্গলেই 10 জন মৎস্যজীবীর মৃত্যু হয় লকডাউনের পর থেকে গত 9 মাসে। বনদফতরের দাবি বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই প্রশিক্ষণ ছাড়া অনেকে জঙ্গলে ঢ়ুকে পড়ছেন যে কারণে ঘটছে দুর্ঘটনা।

Post a Comment